Reading Time: < 1 minute

Black Hole Information paradox : Black Hole Information paradox বোঝার আগে আমাদের বুঝতে হবে ইনফর্মেশন বা তথ্য বলতে  বিজ্ঞানীরা কি বুঝিয়ে থাকেন, এসকল ক্ষেত্রে তথ্য বলতে প্রধানত কোয়ান্টাম প্রোপার্টিস কে বোঝানো হয়ে থাকে. তাহলে এখন প্রশ্ন হতে পারে কোয়ান্টাম প্রোপার্টিজ টা আবার কি?কোয়ান্টাম প্রোপার্টিজ বলতে কোন পদার্থের ক্ষুদ্রতম কণার যেমন: পরমাণুর মধ্যে ইলেকট্রন, প্রোটন, নিউট্রনের স্পিন,  বেগ,  ভর ইত্যাদি কে বোঝানো হয়ে থাকে. একটি মজার বিষয় বলা যাক, কোয়ান্টাম পর্যায়ে গেলে মহাবিশ্বের প্রত্যেকটি বস্তু কিন্তু এক হয়ে যায় অর্থাৎ তারা সকলেই একি ইলেকট্রন  প্রোটন নিউট্রন………. এসকল পার্টিকেল দ্বারা তৈরি. শক্তির সংরক্ষণশীলতা নীতির  মতই কোয়ান্টাম ইনফর্মেশন এর সংরক্ষণশীলতা নীতি রয়েছে  যা বলে মহাবিশ্বের  মোট  কোয়ান্টাম ইনফর্মেশন কখনোই পরিবর্তন হতে পারবে না অর্থাৎ এর  সৃষ্টি বা ধ্বংস নেই (“The total amount of Quantum Information in the universe must be conserved”).

কিন্তু ব্ল্যাকহোল আবিষ্কার না হওয়ার আগ পর্যন্ত বিজ্ঞানীদের কোন সমস্যাই ফেস করতে হয় নি,  কিন্তু যখনই ব্ল্যাক হোল আবিষ্কার হলো বিজ্ঞানীরা চিন্তা করলেন, যেহেতু ব্ল্যাক হোল থেকে স্বয়ং আলোও ফিরে আসতে পারে না অর্থাৎ কোন কিছুই ফিরে আসতে পারে না তাহলে এখানে কোয়ান্টাম ইনফর্মেশন রক্ষিত হতে পারে কি!!!??

এজন্যই প্রথমদিকে অনেক বিজ্ঞানী ব্ল্যাকহোলের অস্তিত্ব নিয়ে প্রশ্ন তুলেছিলেন. কিন্তু ব্ল্যাকহোলের অস্তিত্ব পুরোপুরিভাবে নিশ্চিত  হবার পর এখানে চলে আসে ব্ল্যাকহোল ইনফর্মেশন প্যারাডক্স কেননা মহাবিশ্বে ইনফর্মেশন অবশ্যই ধ্রুব থাকতে হবে এবং  মহাবিশ্বে ব্ল্যাক হোলও একজিস্ট করে  আর ব্ল্যাকহোলের ভক্ষণ থেকে  কেউ  যেহেতু বাঁচতে পারে না সেহেতু কোয়ান্টাম ইনফরমেশনগুলো আসলে কোথায় থাকে? কিভাবে থাকে? কীভাবেই বা সংরক্ষিত হয়? আদৌ ধ্বংস হয়, না ব্ল্যাক হোলের মধ্যে কোন এক স্থানে পুঞ্জিভূত থাকে?? এরকম হাজারো প্রশ্নের জন্ম হয় বিজ্ঞানীদের মনে. আর এটি Black Hole Information paradox.